Iccheymoto

Nataktar Naam Ki

Synopsis

আত্মভোলা আপনহারা এক নাট্যকার। নিঃসঙ্গ তাঁর জীবন। একাকিত্বের পাগলামোতে মেতে থেকে তাঁর বেশ সময় কাটে। অবশ্য তিনি পুরোপুরি সঙ্গীহীন নন। তার সঙ্গী, তার ভাবনারা, প্রিয় কলমটা, সৃষ্ট চরিত্রেরা। তার সঙ্গী তিনি নিজে। এরকম বিভিন্ন বিমূর্ত সঙ্গীদের নিয়ে তিনি সময় কাটান। তাদের সঙ্গে তর্ক করেন। ঝগড়া করেন। ভালোবাসেন। ক্ষেপে ওঠেন। জন্ম দেন। আবার মেরেও ফেলেন। এই ভাবেই হঠাৎ একদিন তিনি একটি মেয়ে ও একটি ছেলের জন্ম দেন তার কলমে। ইছামতি ও প্রত্যয়। নিজের সৃষ্টিদের সঙ্গে নাট্যকারের আলাপ জমে ওঠে। জানা যায় ইছামতি একটি ধর্ষিতা মেয়ে। বিজয়া দশমীর রাতে চারজন, পাঁচজন, বা দশ জন একসঙ্গে ভোগ করেছিল তাকে। সেই রাতে যে ঠিক কি ঘটেছিল, ইছামতির সেই সব কথা মনেও পড়ে না। “সব অনুভূতি তখন মায়ের ভোগে. দুগ্গাপুজো বলে কথা।” ওদিকে প্রত্যয় বলে ছেলেটি সব মিছিলে কুশপুতুল সাপ্লাই করে। “শনিবার বলে বদলা নয় বদল চাই। রবিবার ছুটি কাটিয়ে সোমবার বলে পরিবর্তন নিপাত যাক।” প্রত্যয় আর ইছামতির ভারী ভাব হয়। জীবনের কথা। মিছিলের কথা। স্বপ্নের কথা। প্রেমের কথা। কত কথাই যে চলতে থাকে! নাট্যকারের চোখের সামনে নাট্যকারেরই তৈরি চরিত্রেরা চলতে থাকে। নাট্যকার চলতে থাকেন। নাট্যকারের ভাবনারা চলতে থাকে।

 

Crew


নির্দেশনা : সৌরভ পালোধী

সহযোগী নির্দেশনা : তূর্ণা দাশ।
নাটক : অনুরাগ ও সৌরভ।
সংগীত : সিধু।
মুদ্রা ও বিভঙ্গ : রিকি ও অদিতি।
মঞ্চ : ত্রিগুণা ও নীল কৌশিক।
আলো : সৌমেন।
শব্দ প্রক্ষেপণ : কৌশিক।
প্রচার অংকন : একতা।

Cast

অভিনয় : সৌরভ পালোধী, তূর্ণা, ভিকি, নিবেদিত, সৌম্য, সৌমক ও নীল মুখার্জী।